মামলাকারীর আইনজীবী মৈনাক বসু বলেন, “এনুমারেশন ফর্মে CAA আবেদনকারীদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট অপশন রাখা হয়নি। তাই এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া জরুরি।”
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) নিয়ে আত্মদীপ সংগঠনের করা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন আবেদনকারীরা। সোবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি চৈতালি চ্যাটার্জির ডিভিশন বেঞ্চে শুনানিতে কেন্দ্র জানায়, এই মামলায় যুক্ত আবেদনকারীদের সমস্ত আবেদন দশ দিনের মধ্যে বিবেচনা করা হবে (Centre assures consideration within 10 days)।
দেশজুড়ে যেখানে প্রায় পঞ্চাশ হাজার নাগরিকত্বের আবেদন ঝুলে আছে, সেখানে আপাতত শুধু পশ্চিমবঙ্গের আবেদনকারীদের জন্যই এই আশ্বাস দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। আদালতে কেন্দ্রের পক্ষ থেকে এ কথা জানান এডিশনাল সলিসিটার জেনারেল (ASG) অশোক চক্রবর্তী।
তিনি জানান, “CAA-র মূল উদ্দেশ্য প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে বেআইনি ভাবে আগতদের চিহ্নিত করা। এই মামলায় যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের আবেদনের বিষয়টি দশ দিনের মধ্যে বিবেচনা করা হবে।”
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব আদালতে জানান, শুধুমাত্র এই মামলার সঙ্গে যুক্ত আবেদনকারীদের আবেদনই আপাতত খতিয়ে দেখা হবে। দেশের অন্যান্য প্রান্তে যেসব একই ধরনের মামলা বিচারাধীন রয়েছে, সেখানে এই নির্দেশ প্রযোজ্য হবে না।
রাজ্যের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই বিষয়ে রাজ্যের কোনও ভূমিকা নেই। কমিশনই সমস্ত কাজ করছে। কেন্দ্রের অভিযোগ, রাজ্য নব্বই দিনের মধ্যে আবেদন পাঠানোর কথা থাকলেও তা পাঠানো হয়নি।
অন্যদিকে, মামলাকারীর আইনজীবী মৈনাক বসু বলেন, “এই জনস্বার্থ মামলায় দেশের সব আবেদনকারীর পক্ষেই কথা বলা হয়েছে। প্রায় পঞ্চাশ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। এগুলোর ভবিষ্যৎ কী হবে, তা কেন্দ্র জানাক— অনুমোদন দিক বা বাতিল করুক, অন্তত সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক।”
তিনি আরও বলেন, “এনুমারেশন ফর্মে CAA আবেদনকারীদের জন্য কোনও নির্দিষ্ট অপশন রাখা হয়নি। তাই এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া জরুরি।” এদিন দুপুরে ফের শুনানি হবে এই মামলার।
Partha Goswami
10/11/2025







