এমনিতে গম্ভীরের বক্তব্য শুনতে মন্দ নয়৷ ম্যানেজারের রোঁয়া-ওঠা অহং বেরিয়ে আসে। বেশ চটপটে, মশলাদার, হেডলাইন-সুলভ।
চায়ের কাপে তুফান ওঠে। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, মোরিনহো-ফার্গি-গুয়ার্দিওলার পেছনে যে বাহারি চালচিত্র, সাফল্যের যে জ্যোতির্বলয় রয়েছে, গম্ভীর সেখানে নিঃস্ব।
২০২৮ সাল, ২৮ অগস্ট। টটেনহ্যাম হটস্পারের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে ৩ গোলে চুরমার হল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। এমনিতেই চাপে ছিলেন কোচ জোসে মোরিনহো। সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণ তাঁকে আরও বেকায়দায় ফেলে দেয়৷
আপনি কি সত্যি ম্যান ইউয়ের মতো ক্লাবের হট সিটে বসার যোগ? পারবেন দলের হাল ফেরাতে? এমন একগুচ্ছ সওয়াল তীক্ষ্ম তিরের মতো ধেয়ে আসছে যখন, চেয়ার ছেড়ে বেরিয়ে আসার আগে আগত সাংবাদিকদের আঙুল তুলে নামতা বোঝানোর স্টাইলে জোসে বলেছিলেন, ‘আজকের স্কোরলাইন ৩-০। কিন্তু এই ফলাফল আসলে কীসের প্রতীক জানা আছে? আমি এই লিগে ঠিক এতগুলো খেতাব জিতেছি। বাকি সমস্ত ম্যানেজারদের যোগ করেও তা হবে না। অতএব সম্মান জানান!’ ‘রেসপেক্ট, রেসপেক্ট ম্যান, রেসপেক্ট!’—ক্রমশ বিলীয়মান তিনটি শব্দ আজও সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের রসদ জোগায়!
জোসে একা নন৷ ইউরোপীয় ফুটবল এমন একাধিক বিতর্কিত প্রেস কনফারেন্সের সাক্ষী। যেমন, পেপ গুয়ার্দিওলা। সাংবাদিকের অস্বস্তিকর প্রশ্নের জবাবে তাঁর দিকে হিমশীতল চাহনি ছুড়ে মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, ‘সওয়াল করলে উত্তরদাতার দিকে তাকাতে হয়৷ অন্যদিকে চেয়ে থাকাটা অভদ্রতা! যখন কথা বলব, আমার দিকেই তাকাবেন, অন্য কোনও দিকে নয়!’
Partha Goswami
02/12/2025







