পাঁশকুড়ার এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের অন্যান্য সরকারি হাসপাতালেও এমন লুকোনো অত্যাচারের ঘটনা কি ঘটছে? প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, তদন্তে সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
পাঁশকুড়া সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ধর্ষণ-অত্যাচারের (Panskura Hospital Rape Case) ঘটনার তদন্তে উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য (Sensational report)।
জেলা স্বাস্থ্য দফতরের অভ্যন্তরীণ কমিটির রিপোর্টে উঠে এসেছে, অভিযুক্ত ফেসিলিটি ম্যানেজার জাহির আব্বাস খান নিয়মিত অত্যাচার ও শোষণ চালাতেন। ভয় দেখিয়ে কর্মীদের অতিরিক্ত কাজ করানো হতো এবং তাঁর ভয়ে কেউ অভিযোগ করতে সাহস পেত না। রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ঠিকাদার সংস্থায় কোনও নজরদারির ব্যবস্থা ছিল না।
সূত্রের খবর, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বিভাস রায় এই অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট গ্রহণ করেছেন এবং স্বাস্থ্য দফতরে জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এদিকে বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্যের স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা।
গোটা ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার। হাসপাতাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি বলেন, “ধারাবাহিক অত্যাচারের ঘটনায় স্পষ্ট যে, এখানে একটি সংগঠিত অপরাধ চলছে। ঠিকাদার সংস্থাও দায় এড়াতে পারে না।”
প্রশাসনের সক্রিয়তার দাবি করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বলেন, যা চিত্র সামনে এসেছে, তা স্বাধীন ভারতের লজ্জা। তিনি দাবি করেন, এই ধরনের অপরাধে দোষীদের কোর্ট বা জেলে পাঠানোর আগে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাঁশকুড়ার এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যের অন্যান্য সরকারি হাসপাতালেও এমন লুকোনো অত্যাচারের ঘটনা কি ঘটছে? প্রশাসন অবশ্য জানিয়েছে, তদন্তে সম্ভাব্য সবদিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
Partha Goswami
04/10/2025







