সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আব্বাস আলি দলের কর্মীদের নিয়ে বিএলওর সঙ্গে ঘোরার কথা স্বীকার করলেও তাঁর উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমরা কোনওরকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করিনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ।”
মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে এসআইআর। বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। তবে প্রথম দিনেই খানাকুলে এসআইআর নিয়ে বিতর্ক। বিএলও’র সঙ্গে দলের ঝান্ডা হাতে তৃণমূলের নেতা কর্মীদের বাড়ি বাড়ি ঘুরতে দেখে শোরগোল পড়ে।
বিজেপির অভিযোগ, বিএলওদের ভয় দেখিয়ে, চাপ দিয়ে বুথে বুথে ঘোরাচ্ছে তৃণমূল। জানা গেছে, খানাকুলের মাড়োখানা পঞ্চায়েত এলাকার ২৯২ নম্বর বুথে বাড়ি বাড়ি ঘোরেন সেখানকার বিএলও সরিফুল মোল্লা হক। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আব্বাস আলি-সহ তৃণমূল কর্মীরা।
বিএলও যতগুলি বাড়িতে যান, সেখানেই দলীয় পতাকা নিয়ে হাজির হন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন বিএলও। সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি আব্বাস আলি দলের কর্মীদের নিয়ে বিএলওর সঙ্গে ঘোরার কথা স্বীকার করলেও তাঁর উপর চাপ সৃষ্টির অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমরা কোনওরকম ভয়ভীতি প্রদর্শন করিনি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। তবে কর্মীদের দলীয় পতাকা নিয়ে যাওয়া উচিত হয়নি। পরেরবার এটা হবে না।”
যদিও বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষের দাবি, এসআইআর নিয়ে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। তাই বিএলওদের ভয় দেখিয়ে কাজ করাতে চাইছে। তাঁর কথায়, ” এতজন তৃণমূল কর্মী যদি ঝান্ডা নিয়ে কোনও বিএলওর সঙ্গে যান, তিনি এমনিতেই চাপে থাকবেন। তাঁকে দিয়ে নিজেদের পছন্দের কাজ করিয়ে নেওয়া সম্ভব।”
Partha Goswami
05/11/2025







