স্কুল সূত্রে খবর, সম্প্রতি হেডমাস্টারের বদলি হওয়ায় ওই শিক্ষিকা মূলত ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন।
এক স্কুলশিক্ষিকা আরাম করে চেয়ারে বসে মোবাইলে কথা বলছেন, আর স্কুল পোশাকে দু’জন ছাত্রী মাটিতে বসে তাঁর পা মালিশ করছে (student harassment)। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে প্রায় দশ দিন আগে, তবে মঙ্গলবার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অন্ধ্রপ্রদেশের (Andhra Pradesh) পার্বতীপুরম জেলার মোলিয়াপুট গ্রামের একটি আশ্রম স্কুল থেকে উঠে এসেছে এই লজ্জাজনক ছবি।
জানা গিয়েছে, ওই মহিলা বান্ডাপল্লি গার্লস ট্রাইবাল আশ্রম স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষিকা। এটি প্রায় ৩০০ ছাত্রীর একটি আবাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরই তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে এবং গোটা ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।
ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষিকা একটি চেয়ারে বসে অন্য একটিতে পা তুলে রেখেছেন, এদিকে দুই ছাত্রী নিচে বসে পা টিপছে। তিনি নির্বিকারভাবে ফোনে কথা বলে চলেছেন।
বিশাখাপত্তনম বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও সিনিয়র আইনজীবী এন. সুমনের মতে, এই আচরণ “একজন শিক্ষকের দায়িত্ববোধের ঘোর লঙ্ঘন”, যা “ক্ষমতার অপব্যবহার এবং শিশুদের শারীরিক ও মানসিক হয়রানির শামিল”। তাঁর কথায়, “এই ঘটনায় ছাত্রীদের নিরাপত্তা ও মর্যাদার অধিকার স্পষ্টভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে এবং শিশুদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করার একটি জঘন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।”
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি হেডমাস্টারের বদলি হওয়ায় ওই শিক্ষিকা মূলত ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষিকা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে এমন কোনও অভিযোগ ওঠেনি, বরং চাকরি জীবনে তিনি ভালই সুনাম অর্জন করেছিলেন।
Partha Goswami
05/11/2025







