এটাকে গুপ্তচর অ্যাপ নাম দিয়ে তিনি আরও বলেন, ফলে আপনারাই বুঝতে পারছেন এই অ্যাপের কাজ কী হবে।
সঞ্চার সাথী অ্যাপ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। মঙ্গলবার, সংসদের শীত অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের সকালে কংগ্রেসের লোকসভার এমপি প্রিয়ঙ্কা বলেন, দেশকে একনায়কতন্ত্রের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এটাকে গুপ্তচর অ্যাপ নাম দিয়ে তিনি আরও বলেন, ফলে আপনারাই বুঝতে পারছেন এই অ্যাপের কাজ কী হবে। দেশের নাগরিকদে অধিকার রয়েছে তাঁদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষার। আপনাদেরও সকলেরই অধিকার রয়েছে, ব্যক্তিগত মেসেজ পরিবার, বন্ধুকে পাঠানোর। যার উপর কেউ নজরদারি করতে পারবে না।
এটা শুধু চরবৃত্তিরই কাজ করবে না, প্রিয়ঙ্কা বলেন, সব মিলিয়ে এরা দেশকে সব দিক দিয়ে স্বৈরতন্ত্রের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানতে চান যে, সংসদ কেন অচল হয়ে যাচ্ছে। আসলে ওরা চায়ই না, সংসদে মানুষের কথা উঠুক। এটা কোনও গণতন্ত্রই নয়। ডিপার্টমেন্ট অফ টেলিকমিউনিকেশন এই পদক্ষেপে পিছু হটবে কিনা জানতে চাওয়া হলে কেরলের ওয়ানাড়ের সাংসদ বলেন, ওদের পিছু হটতেই হবে। আমরা আজকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব, আমাদের দলীয় অবস্থান কী হবে, জানান প্রিয়ঙ্কা গান্ধী।
তিনি স্বীকার করে নেন যে, দেশে সাইবার নিরাপত্তার অবশ্যই প্রয়োজন আছে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, সরকার সকল নাগরিকের ফোনে আড়ি পাতবে। আমার মনে হয় না, দেশের কোনও মানুষ এতে খুশি হবেন। মোদী সরকারের (Modi Govt) একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফের বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, সঞ্চার সাথী (Sanchar Sathi) নামক অ্যাপ সব স্মার্টফোনে বাধ্যতামূলকভাবে প্রি-ইনস্টলড থাকতে হবে। এটি ফোন থেকে ডিলিট বা ডিসেবল করা যাবে না! কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তই ভাবাচ্ছে সকলকে।
স্বাভাবিকভাবেই সঞ্চার সাথী অ্যাপ ফিরিয়ে এনেছে পেগাসাস (Pegasus) বিতর্কের স্মৃতি। সে সময়ে জাতীয় রাজনীতি কার্যত উত্তাল হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত পরিসরে উঁকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। দাবি করা হচ্ছে, ব্যক্তিগত তথ্য হাতাতেই এই অ্যাপের ব্যবহার। সঞ্চার সাথী – এই অ্যাপ নিয়েও সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
Partha Goswami
02/12/2025







