৯২ হাজারের বেশি ভোটে তাপসকে হারিয়ে দিয়েছিলেন সুদীপ। কমিশনের দেওয়া শেষ তথ্য বলছে, এই কলকাতা উত্তরেই এখন আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা এসে ঠেকেছে সাড়ে ৩ লক্ষে।
কলকাতা উত্তর (Kolkata Uttar) যে প্রতিবারই ভোটের রাজনীতিতে খুব চমকপ্রদ বিরোধিতার সাক্ষ্য দেয়, তা নয়। গোটা বাংলা জানে, সাম্প্রতিক অতীতে সেখানে ভোট হয় সাধারণত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখেই। সেই কেন্দ্রেই গত লোকসভা নির্বাচনে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছিল। সৌজন্যে, তাপস রায়ের দলবদল। কানাঘুষো শোনা গিয়েছিল, তৃণমূলের (TMC) নিজস্ব দ্বন্দ্বও নাকি উত্তরের পথের কাঁটা। কিন্তু ভোটের ফলাফলে শেষ হাসি হেসেছিলেন তৃণমূলের সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ই। এসআইআর আবহে কমিশন যখন এই কলকাতা উত্তরের আন-কালেক্টেবল ফর্মের পরিসংখ্যান দিচ্ছে, তখন সেখানকার সমীকরণ বদলে যাবে কিনা, সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক মানচিত্র তাপস রায় হাতের তালুর মতোই চেনেন। সংগঠনেও তিনি দক্ষ। তবে, দলবদল করা নেতার প্রতি জনতার যে সন্দেহ-সংশয় তাও একই সঙ্গে কাজ করছিল লোকসভা নির্বাচনে। বিজেপি অবশ্য চেষ্টার কসুর করেনি। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাপস রায়ের সমর্থনে এসে শ্যামবাজার থেকে সিমলা স্ট্রিট পর্যন্ত জাঁকজমক রোড শো করেন।
কিন্তু, ওই একই রুটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রোড শো দেখিয়ে দিয়েছিল, উপর উপর কলকাতা উত্তরে পদ্ম ফোটার আদর্শ পরিবেশ থাকলেও, ঘাসফুলের দাপটই আলাদা। ৯২ হাজারের বেশি ভোটে তাপসকে হারিয়ে দিয়েছিলেন সুদীপ। কমিশনের দেওয়া শেষ তথ্য বলছে, এই কলকাতা উত্তরেই এখন আন-কালেক্টেবল ফর্মের সংখ্যা এসে ঠেকেছে সাড়ে ৩ লক্ষে।
Partha Goswami
05/12/2025







