SIR: হিয়ারিংয়ের চাপে আত্মঘাতী বৃদ্ধ? জ্ঞানেশ কুমার-মনোজ আগরওয়ালের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের

SHARE:

পুরুলিয়ার পারা বিধানসভা এলাকার এক প্রবীণ জনজাতি ভোটার ছিলেন দুর্জন মাঝি (৮২)। তিনি আনারা গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌতালা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর মৃত্যুকে এসআইআর হিয়ারিংয়ের মানসিক চাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

SIR: হিয়ারিংয়ের চাপে আত্মঘাতী বৃদ্ধ? জ্ঞানেশ কুমার-মনোজ আগরওয়ালের  বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের | Police complaint filed against CEC Gyanesh  Kumar and CEO Manoj Agarwal

রাজ্যের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়া ঘিরে ফের এক আত্মহত্যার অভিযোগ সামনে এসেছে পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal)। আর এই ঘটনায় নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ (Police FIR) দায়ের করেছে মৃতের পরিবার।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar) এবং রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO) মনোজ আগরওয়ালের (Manoj Agarwal) বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মৃতের পরিবারের দাবি, এসআইআর সংক্রান্ত হিয়ারিংয়ে হাজিরা দিতে না পারার ভয় ও চাপ থেকেই চরম সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

পুরুলিয়ার পারা বিধানসভা (Purulia Para) এলাকার এক প্রবীণ জনজাতি ভোটার ছিলেন দুর্জন মাঝি (৮২)। তিনি আনারা গ্রাম পঞ্চায়েতের চৌতালা গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর মৃত্যুকে এসআইআর হিয়ারিংয়ের মানসিক চাপের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।

পরিবারের অভিযোগ, দুর্জন মাঝি হিয়ারিংয়ে (SIR Hearing) পৌঁছনোর জন্য বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। কিন্তু গ্রামে কোনও টোটো বা যানবাহন না পেয়ে তিনি চরম দুশ্চিন্তায় পড়েন। সময়মতো শুনানিতে পৌঁছতে না পারলে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়তে পারে – এই আশঙ্কা থেকেই তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন বলে দাবি পরিবারের।

এর পরই গ্রামের কাছে থাকা রেললাইনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। মৃতের স্ত্রী ও ছেলে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই হিয়ারিংয়ের বিষয়টি নিয়ে দুর্জন মাঝি উদ্বিগ্ন ছিলেন। বয়সজনিত অসুস্থতা ও যাতায়াতের সমস্যার মধ্যেও তাঁকে শুনানিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল, যা তাঁর উপর ভয়াবহ মানসিক চাপ তৈরি করেছিল বলে অভিযোগ।

পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, এই মৃত্যু কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। তাঁদের অভিযোগ, ভোটাধিকার রক্ষার নামে ভয় ও অনিশ্চয়তার পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে, যার দায় এড়াতে পারে না নির্বাচন কমিশন।

যদিও সোমবারই নির্বাচন কমিশনের তরফে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বের নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম, যে কোনও বয়সের অসুস্থ ব্যক্তি এবং অন্তঃসত্ত্বা মহিলাদের ক্ষেত্রে শুনানির নোটিস (Hearing Notice) নিয়ে বাড়িতে গিয়েই যাচাই করা হবে।

সিইও (CEO) জানিয়েছেন, এই শ্রেণির ভোটারদের কোনও অবস্থাতেই অফিসে ডেকে আনা যাবে না। প্রয়োজনীয় নথি থাকলে বিএলও নিজেই ভোটারের বাড়িতে গিয়ে তা সংগ্রহ করবেন।

Partha Goswami

30/12/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई