নগরোন্নয়নে জোর, রাজ্যজুড়ে সাড়ে ৬০০ কোটির প্রকল্পে সবুজ-পরিকাঠামোর ছোঁয়া

SHARE:

প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “এই প্রকল্পে প্রতিটি শহরবাসী প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। নগর জীবনের মান বাড়াতেই রাজ্যের এই পদক্ষেপ।”

বর্ষা কাটতেই রাজ্যজুড়ে পুরসভা এলাকাগুলির পরিকাঠামোগত মানোন্নয়নে জোর। পানীয় জল সরবরাহ, আধুনিক নিকাশি ব্যবস্থা, সবুজায়ন ও নাগরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সাড়ে ৬০০ কোটি টাকার নগরোন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিচ্ছে রাজ্য সরকার। অর্থ দফতরের সবুজ সঙ্কেত ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে পুর ও নগরোন্নয়ন দফতরে। ডিসেম্বরের মধ্যেই বরাদ্দের অর্থ কাজে লাগানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রকল্পের মূল জোর বাড়ি বাড়ি পানীয় জল সরবরাহ পৌঁছে দেওয়া এবং দূষণ নিয়ন্ত্রণে টেকসই ব্যবস্থা গড়ে তোলার দিকে। পাশাপাশি, বিভিন্ন পুর এলাকায় নতুন পার্ক নির্মাণ ও পুরনো পার্কগুলির সংস্কার, রাস্তা-ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং সবুজ পরিকাঠামোয় বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসনের এক আধিকারিকের কথায়, “এই প্রকল্পে প্রতিটি শহরবাসী প্রত্যক্ষভাবে উপকৃত হবেন। নগর জীবনের মান বাড়াতেই রাজ্যের এই পদক্ষেপ।”

অন্য দিকে, কেন্দ্রের ‘অম্রুত’ প্রকল্পে রাজ্যের প্রাপ্ত বরাদ্দ তুলনায় নগণ্য। ১০ লক্ষের বেশি জনসংখ্যার পুরসভার ক্ষেত্রে কেন্দ্র দিচ্ছে মোট খরচের মাত্র ২৫ শতাংশ, ১০ লক্ষের নীচে হলে ৩৩.৩৩ শতাংশ, আর এক লক্ষের কম জনসংখ্যার পুরসভা পায় ৫০ শতাংশ অর্থ। ফলে প্রকল্পের অধিকাংশ ভারই বইতে হচ্ছে রাজ্যকে। সম্প্রতি নগরোন্নয়ন ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের উদ্যোগের প্রশংসা করে দিল্লি অম্রুত প্রকল্পে ২৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। কিন্তু সেই তুলনায় রাজ্যকে খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৪০০ কোটি টাকা।

প্রশাসনের এক কর্তার কথায়, “কেন্দ্র থেকে বরাদ্দ যতই সীমিত হোক, রাজ্য নিজস্ব উদ্যোগে নাগরিক পরিষেবা উন্নয়নে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। শহরের জল, আলো, ড্রেনেজ—সব ক্ষেত্রেই টেকসই উন্নয়নের দিকেই নজর।”

ফলে বর্ষা-পরবর্তী মরসুমে রাজ্যের সর্বত্র নতুন সাজে সেজে উঠতে চলেছে পুরসভাগুলি। শুধু নিকাশি বা রাস্তা নয়, সবুজ শহরের স্বপ্নকেও বাস্তবের পথে নিয়ে যেতে পারে সরকারের এই উদ্যোগ। যদিও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বছর ঘুরলেই ভোট। তাই নাগরিকদের মন পেতে এই তৎপরতা।

Partha Goswami

25/10/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई