India Russia Agreements: ২৮ ঘণ্টার সফর শেষে দেশে ফিরলেন পুতিন! ভারতের সঙ্গে কী কী চুক্তি হল?

SHARE:

 বাণিজ্য থেকে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে ফেলল দুই দেশ।

ভারত সফর শেষ। ২৮ ঘণ্টার ব্যস্ত সূচি সামলে শুক্রবার ভারতীয় সময় রাতেই দেশ ছাড়লেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Russian President, Vladimir Putin)। রাষ্ট্রপতি ভবনে রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনা, ব্যাঙ্কোয়েট হলে মোদী (PM Narendra Modi)–পুতিনের পাশাপাশি বসা, রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর বক্তব্য—সব মিলিয়ে বৈঠকের গাম্ভীর্য থেকে জোরদার বার্তা পাঠাল দুই দেশ। বিদায়বেলায় পুতিনকে এগিয়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর।

এই সফরেই ২৩তম ভারত–রাশিয়া বার্ষিক সম্মেলন এবং একগুচ্ছ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক একে একে চূড়ান্ত হয়েছে। মাত্র দু’দিনের সফরে কী কী চুক্তি হল (India Russia Agreements)?

 বাণিজ্যে ২০৩০–এর ‘মেগা রূপরেখা’
দিল্লি-মস্কো ঠিক করে ফেলল আগামী ছয় বছরের বাণিজ্যিক পথনকশা। লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যেই ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। যৌথ সাংবাদিক বৈঠকের আগে থেকেই জানিয়েছিল ভারত সরকার—দুই দেশই আর্থিক সমন্বয়ের পথে আরও ঘনিষ্ঠ হবে।

বৈঠক শেষে রাশিয়ার স্পষ্ট বার্তা, “ভারতকে নিরবচ্ছিন্ন ভাবে তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত মস্কো।” জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পারমাণবিক শক্তি—সব খাতেই যৌথ উন্নয়নে এগোবে দুই দেশ।

 চেন্নাই–ভ্লাদিভোস্টক: সমুদ্রপথে নতুন যুগ
পুতিন সফরের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা—ইন্টারন্যাশনাল নর্থ সাউথ ট্রান্সপোর্ট করিডোরে (INSTC) নতুন গতি। চেন্নাই থেকে রুশ বন্দর ভ্লাদিভোস্টক পর্যন্ত সরাসরি সমুদ্রপথের রূপরেখা তৈরি। এতে ভারত-রাশিয়ার মধ্যে বাণিজ্য সময় ও খরচ—দুটোই কমবে।

পারমাণবিক শক্তিতে বড় প্রতিশ্রুতি
পারমাণবিক শক্তি সহযোগিতায় বড় অগ্রগতি। তামিলনাড়ুর পারমাণবিক কেন্দ্র সম্পূর্ণ করতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন পুতিন। পাশাপাশি ইসরো–রসকোসমস যৌথভাবে মহাকাশ গবেষণা, উপগ্রহ প্রযুক্তি ও ভবিষ্যতের অভিযানে সহযোগিতা বাড়াবে—এমনটাই জানিয়েছেন দুই দেশের আধিকারিকরা।

সন্ত্রাস দমনে দিল্লি–মস্কো একবাক্য
মোদীর বক্তব্যে ছিল তীক্ষ্ণ বার্তা—“পহেলগাম থেকে ক্রোকাস সিটি হল—ঘটনার উৎস এক।” বৈঠকের শেষে দুই দেশ একযোগে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এছাড়াও সামরিক সরঞ্জাম থেকে গবেষণা—সব খাতে জোটবদ্ধ, যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণের জন্য নতুন সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর, ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র আওতায় সামরিক সরঞ্জাম যৌথ গবেষণা ও উৎপাদনে জোর এবং বিজ্ঞান গবেষণা, পর্যটন বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে পারস্পরিক সমর্থনের আশ্বাস।

পুতিনের এই সফরকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলের মূল্যায়ন—দিল্লি–মস্কো সম্পর্কের নতুন অধ্যায়। বাণিজ্য থেকে জ্বালানি, পারমাণবিক শক্তি থেকে প্রতিরক্ষা—প্রায় সব ক্ষেত্রেই ভবিষ্যতের রূপরেখা তৈরি করে ফেলল দুই দেশ।

Partha Goswami

06/12/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई