পুতিনের নৈশ ভোজে আমন্ত্রিত শশী, ডাক পাননি খাড়্গে, রাহুল, ক্ষোভ উগরে দিল কংগ্রেস

SHARE:

খাড়্গে ও রাহুলকে না ডাকায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও।‌

ভারত সফররত রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সম্মানে শুক্রবার রাষ্ট্রপতি ভবনের নৈশভোজে হাজির ছিলেন কংগ্রেস নেতা তথা তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী তারুর।‌ কিন্তু ডাক পাননি রাজ্যসভা‌ ও লোকসভার বিরোধী দলনেতা যথাক্রমে মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং রাহুল গান্ধী। ডাকা হয়নি, কংগ্রেসের সংসদীয় দলনেত্রী সনিয়া গান্ধীকেও।‌ বিদেশি অতিথিদের জন্য রাষ্ট্রপতির দেওয়া এই জাতীয় নৈশভোজে নিমন্ত্রিতদের তালিকা তৈরি করে থাকে কেন্দ্রীয় সরকার। ‌ খাড়্গে ও রাহুলকে আমন্ত্রণ না জানানোই নরেন্দ্র মোদী সরকারের ওপর তীব্র খুব উগরে দিয়েছে কংগ্রেস।‌

শুক্রবার সন্ধ্যায় তারুর না করেন ভ্লাদিমির পুতিনের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে তিনি আমন্ত্রণ পেয়েছেন এবং অবশ্যই যাবেন। ‌ এরপরই তারুর এবং কেন্দ্রীয় সরকারকে একযোগে আক্রমণ করেন কংগ্রেসের পবন খেরা, জয়রাম রমেশ প্রবীণ সংসদ সলমান খুরশিদ প্রমুখ।‌

পবন খেরা বলেন, নিমন্ত্রিতদের তালিকা যিনি তৈরি করেছেন এবং যিনি গ্রহণ করেছেন, দুপক্ষই নীতিহীন। ‌ নিমন্ত্রণ গ্রহণ করার আগে দেশের রাজনৈতিক শিষ্টাচারের প্রসঙ্গটি বিবেচনায় রাখা উচিত ছিল বলে মন্তব্য করে তাঁদেরকে নিশানা করেন এই কংগ্রেস নেতা। ‌

অন্যদিকে জয়রাম রমেশ বলেন, ভারতের দীর্ঘদিনের রীতি হল বিদেশি অতীতের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা। এজন্য রাষ্ট্রপতি বা প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে আয়োজিত নৈশ ভোজকেই ব্যবহার করা হতো। সেখানেই বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে বিরোধী দলের নেতা দের মুখোমুখি কথা বলার সুযোগ ছিল। এটাই কি রাজনৈতিক সৌজন্য এবং সম্মানের প্রশ্ন। ‌

দুদিন আগে এ নিয়ে মুখ খোলেন স্বয়ং রাহুল গান্ধীও।‌ তিনি বলেন, মনমোহন সিং পর্যন্ত সমস্ত প্রধানমন্ত্রীরা বিরোধী দলনেতাদের ডেকে বিদেশি অতিথিদের সঙ্গে আলাপ পরিচয় করিয়ে দিতেন। সেই ঐতিহ্য ভেঙে চুরমার করে ফেলেছে বর্তমান সরকার। রাহুল অবশ্য তখনও জানতেন না দলের তিরুবনন্তপুরমের এমপি শশী তারুরকে পুতিনের নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

দলের আক্রমণের মুখে মুখ খুলেছেন প্রাক্তন বিদেশ রাষ্ট্রমন্ত্রী শশী। তাঁর বক্তব্য বিদেশ বিষয়ক সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি আমন্ত্রিত ছিলেন। যদিও কংগ্রেস মনে করছে শশীর মোদী ভজানাই এই সিদ্ধান্তের আসল কারণ। ‌ প্রবীন এই কংগ্রেস সাংসদ কথায় কথায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রশংসা করে থাকেন।‌ বিশেষ করে একের পর এক দেশের সঙ্গে যখন ভারতের সম্পর্কের চিড় ধরছে তখন শুধু শশী কেন্দ্রীয় সরকারের প্রশংসায় পঞ্চমুখ।‌

বিশেষ করে তিনি নরেন্দ্র মোদীর ভূমিকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। এ নিয়ে দলে ক্রমশ প্রশ্নের মুখে পড়েছেন‌ এই প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ। খাড়্গে ও রাহুলকে না ডাকায় কেন্দ্রের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী সালমান খুরশিদ এবং কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশও।‌

Partha Goswami

06/12/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई