রাজ্যের একাধিক জেলায় নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক পদে নিয়ম ভেঙে নিয়োগ হয়েছে বলে শুক্রবারই অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
রাজ্যের একাধিক জেলায় নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (Electoral Registration Officer বা ERO) পদে নিয়ম ভেঙে নিয়োগ হয়েছে বলে শুক্রবারই অভিযোগ তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। অভিযোগ উঠতেই ইআরও নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকে চিঠি পাঠাল নির্বাচন কমিশন। নবান্ন (Nabanna) সূত্রে খবর, আদৌ বাংলায় নিয়মবহির্ভূত ইআরও নিয়োগ হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে জেলাশাসকদের (District Magistrate) কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছেন মুখ্যসচিব (CS Manoj Pant)।
রাজ্যের বহু জেলাশাসক জুনিয়র অফিসারদের ইআরও পদে নিয়োগ করেছেন, যা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা লঙ্ঘন, শুক্রবার এক্স হ্যান্ডেলে ‘প্রমাণ’ দেখিয়ে অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, “এভাবে সিনিয়র WBCS (Executive) আধিকারিকদের এড়িয়ে জুনিয়রদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা ইলেকশন কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশের পরিপন্থী।
বিরোধী দলনেতা জানান, নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এসডিও, এসডিএম বা আরডিও পদমর্যাদার আধিকারিকরাই ইআরও হিসেবে নিযুক্ত হতে পারেন। সেই নিয়ম লঙ্ঘন করেই পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় নিয়োগ হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
টুইটে শুভেন্দু লেখেন, “আমি নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করছি, পশ্চিমবঙ্গে এই নির্দেশ কঠোরভাবে কার্যকর করা হোক। যেন দ্রুত সংশোধন ও পুনর্নিয়োগের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা যায়।” তিনি আরও জানান, তিনি কয়েকজন ইআরও-র নাম ও বিবরণ (যাঁরা যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করেন না) নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠিয়েছেন উদাহরণ হিসেবে।
দেখা গেল, ইআরও নিয়োগ নিয়ে এই অভিযোগ ওঠার পরপরই জেলাশাসকদের কাছে চিঠি গেছে নবান্নের তরফে। সূত্রের খবর সেই চিঠিতে বলা হয়েছে, যদি কোথাও কোনও নিয়মবহির্ভূত নিয়োগ হয়েই থাকে তাহলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে, এবং নবান্নে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা করতে হবে।
Partha Goswami
11/10/2025







