‘কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছেন!’ মিলেছে প্রমাণ, জাভেদ হাবিব ও তাঁর ছেলেকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ

SHARE:

বহু-কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণার মামলায় হেয়ার স্টাইলিস্ট জাভেদ হাবিব ও তাঁর ছেলে আনস হাবিবের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

বহু-কোটি টাকার ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতারণার মামলায় জনপ্রিয় হেয়ার স্টাইলিস্ট জাভেদ হাবিব এবং তাঁর ছেলে আনস হাবিব-এর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ। ‘ফলিকল গ্লোবাল কোম্পানি’-র (Follicle Global Company) নামে বিটকয়েন এবং বিনান্স কয়েনে অস্বাভাবিক বেশি রিটার্নের টোপ দিয়ে ১০০-র বেশি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে এই দু’জন প্রায় ৫ থেকে ৭ কোটি টাকা হাতিয়েছেন বলে অভিযোগ।

পুলিশ সূত্রে খবর, সাব-ইনস্পেক্টর পবিত্র পারমারের নেতৃত্বে সম্ভল পুলিশের একটি দল জাভেদ হাবিবের দিল্লির নিউ ফ্রেন্ডস কলোনির বাড়িতে তল্লাশি পরোয়ানা নিয়ে যায়। যদিও সেখানে হাবিবকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাঁর ভাই আমজাদ হাবিব পুলিশকে জানান যে জাভেদ এখন আর সেখানে থাকেন না। প্রায় আধ ঘণ্টা তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ ফিরে আসে।

এরপর সম্ভলের পুলিশ সুপার (SP) কে কে বিষ্ণোই নিশ্চিত করেন যে, পুলিশ এবার হাবিবকে খুঁজতে তাঁর মুম্বইয়ের ঠিকানায় যাবে। এসপি বলেন, “জাভেদ হাবিবকে তাঁর দিল্লির বাসভবনে পাওয়া যায়নি, কিন্তু পুলিশ এবার তাঁর মুম্বইয়ের ঠিকানায় যাবে। দলটি সমস্ত প্রয়োজনীয় নথি বাজেয়াপ্ত করবে এবং তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য সব পদক্ষেপ নেবে।”

জাভেদ হাবিব, তাঁর ছেলে আনস হাবিবের বিরুদ্ধে মোট ৩৩টি এফআইআর দায়ের হওয়ার পরেই এই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। অভিযুক্তরা ৫০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত বিশাল লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তরা ২০২৩ সালে সম্ভলের সারায়েতিন এলাকার রয়্যাল প্যালেস ভেঙ্কট হলে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। সেই অনুষ্ঠানে প্রায় ১৫০ জন অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকে ৫ লক্ষ থেকে ৭ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগ করেন, যা মোট ৫ থেকে ৭ কোটি টাকার প্রতারণা। এক বছরের মধ্যে কোনও লভ্যাংশ না পাওয়ায় বিনিয়োগকারীরা পুলিশের দ্বারস্থ হন। ততদিনে হাবিব, তাঁর ছেলে এবং অন্যান্য সহযোগীরা কোম্পানি বন্ধ করে গা ঢাকা দেন।

এর আগে পুলিশ জাভেদ হাবিবকে ১২ অক্টোবর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। তাঁর আইনজীবী পবন কুমার তখন হাবিবের অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কিছু নথি জমা দেন। কিন্তু এসপি বিষ্ণোই এই অজুহাতকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে মন্তব্য করেন।

এসপি বিষ্ণোই আরও জানান, পুলিশ হাবিবকে খুঁজে বের করতে, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে “সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ” নিচ্ছে। যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে, কর্তৃপক্ষ গ্যাংস্টার আইন অনুযায়ী তাঁদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার দিকে এগতে পারে।

Partha Goswami

16/10/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई