পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগে তেতে উঠল কোচবিহার, রাস্তা অবরোধে তুমুল উত্তেজনা

SHARE:

ঘটনার খবর পেয়ে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বুঝিয়ে রাস্তা অবরোধমুক্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভ থামাতে ব্যর্থ হয়। পরে বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

কালীপুজোর রাতে বাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে এক মহিলা, তাঁর স্বামী ও পরিবারের বাচ্চাদের মারধরের অভিযোগ ওঠে কোচবিহারের জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে। শহরের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রেলঘুমটি এলাকায় সোমবার রাতের ওই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল পড়ল শহরে। সেই ভিডিওর সত্যতা অবশ্য যাচাই করেনি দ্য ওয়াল।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, এক ব্যক্তি লাঠি হাতে কাউকে আঘাত করছেন, যা স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী জেলা পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য। ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। অনেকেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তবে পুলিশ সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তিনি কাউকে মারধর করেননি। বাজি পোড়ানো বন্ধের নির্দেশ দিতে গিয়েছিলেন মাত্র। মঙ্গলবারই তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ” আমি বারবার গার্ডকে পাঠিয়ে ওদের বাজি ফাটানো বন্ধ করতে বলি। কিন্তু ওরা কানে তোলেনি। বাজির আওয়াজে অতিষ্ট হয়ে পড়েছিলাম আমি ও আমার স্ত্রী। আমার পোষ্যরাও খুব ভয় পাচ্ছিল। তাই আমি নিজে ওদের বারণ করতে গিয়েছিলাম। কেউ ওদের মারধর করেনি।”

এদিকে আক্রান্ত পরিবারের দাবি, বাজি পোড়ানোকে কেন্দ্র করে পাঁচজন বাচ্চাকে বেধড়ক মারধর করা হয়। ঘটনাস্থলে তাদের অভিভাবকরা ছুটে এলে এক পুরুষ ও মহিলাকে শারীরিকভাবে আঘাত করা হয়। পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচারের আবেদন করবেন। এই অভিযোগ নিয়ে বুধবার সকাল থেকে তেতে ওঠে শহর। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তা অবরোধে সামিল হন। আটকে যায় যানবাহন। তুমুল উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনার খবর পেয়ে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বুঝিয়ে রাস্তা অবরোধমুক্ত করার চেষ্টা করে। কিন্তু বিক্ষোভ থামাতে ব্যর্থ হয়। পরে বেশ কয়েকজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। এরপরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

Partha Goswami

22/10/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई