বারবার হাতির হামলা থেকে কীভাবে রক্ষা পাবে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো? উঠছে প্রশ্ন
মাদারিহাট-বীরপাড়া ব্লকের মধ্য খয়েরবাড়ি (North Bengal) যেন বুধবার গভীর রাতে রণক্ষেত্র। আনন্দ আর ভক্তির পরিবেশ নিমেষে পরিণত হল চিৎকার আর কান্নায়। কালীপুজোর আলো নিভে গেল তিনটি প্রাণের বিদায়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোনাই মুন্ডা স্বামী ও পরিবারের অন্যদের সঙ্গে গিয়েছিলেন কাছের বাড়িতে কালীপুজো দেখতে। কোলে দেড় বছরের মেয়ে লক্ষ্মীকে নিয়ে ফেরার পথে, গ্রামের অন্ধকারে হঠাৎই হাজির দাঁতাল এক হাতি(Elephant)!
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুহূর্তের মধ্যেই সব শেষ— মা ও মেয়েকে পিষে দেয় বিশালাকায় জন্তুটি। পেছনে থাকা স্বামী কিছুই করতে পারেননি, চোখের সামনে অকল্পনীয় সেই দৃশ্য!
এদিকে, একই রাতে গ্রামের কিছুটা দূরে হাতির তাণ্ডবে প্রাণ যায় কাদের আলি নামে আরও এক ব্যক্তির। এক রাতেই তিন-তিনটি মৃত্যু— আতঙ্কে ঘুম উধাও গোটা এলাকায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বন দফতরের কর্মীরা (Forest)। জলদাপাড়ার রেঞ্জার শুভাশিস রায় বলেন, “অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। সরকারি নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।”
কিন্তু প্রশ্ন একটাই — বারবার হাতির হামলা থেকে কীভাবে রক্ষা পাবে সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো?
Partha Goswami
23/10/2025







