ভোটের দিন ফোনে না পেলেই ব্যবস্থা! কড়া নির্দেশিকা কমিশনের

SHARE:

সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিউটির সময় অফিসারদের ফোন কোনওভাবেই ‘সুইচড অফ’ রাখা যাবে না। নম্বর দিতে হবে প্রার্থীদেরও।

ভোট (West Bengal Assembly Election 2026) মানেই অভিযোগের পাহাড়। কোথাও ছাপ্পা, কোথাও ভোটারদের ভয় দেখানো, আবার কোথাও ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা। বিপদে পড়লে সাধারণ মানুষ বা প্রার্থীরা কার কাছে যাবেন? বহু ক্ষেত্রেই অভিযোগ ওঠে, খোদ রিটার্নিং অফিসার বা সেক্টর অফিসারদের ফোনই পাওয়া যায় না। এবার সেই ল্যাঠা চোকাতে সরাসরি দাওয়াই দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ডিউটির সময় অফিসারদের ফোন কোনওভাবেই ‘সুইচড অফ’ রাখা যাবে না। নম্বর দিতে হবে প্রার্থীদেরও। কমিশন স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে যে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক এবং অবজার্ভারদের আপডেট করা ফোন নম্বর তৎক্ষণাৎ জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের (DEO) ওয়েবসাইটে আপলোড করতে হবে।

শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রের সমস্ত প্রার্থীর কাছে সেই ফোন নম্বর পৌঁছে দেওয়াও বাধ্যতামূলক। এই তালিকায় রয়েছেন, জেনারেল, পুলিশ এবং এক্সপেন্ডিচার অবজার্ভার। সঙ্গে থাকবে, জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ও পুলিশ সুপার, রিটার্নিং অফিসার এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের নম্বর। পাশাপাশি, সেক্টর অফিসার এবং সেক্টর পুলিশ অফিসারের ক্ষেত্রেও এই নির্দেশ প্রযোজ্য। সাধারণ মানুষ এবং প্রার্থীদের কাছে থাকবে, ফ্লাইং স্কোয়াড ও কুইক রেসপন্স টিম (QRT) এবং কন্ট্রোল রুমের নম্বর। বলা হয়েছে, ফোন বন্ধ থাকলেই কড়া শাস্তি হবে সব আধিকারিকদের।

সম্প্রতি জেলা সফর ও রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে আলোচনার পর কমিশন দেখেছে, অনেক সময় অফিসারদের ফোন নম্বর সাধারণের নাগালের বাইরে থাকে, অথবা নম্বর থাকলেও তা বন্ধ থাকে। এই ‘যোগাযোগহীনতা’কে চরম গাফিলতি হিসেবে দেখছে কমিশন। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যদি কোনও আধিকারিক ফোন না ধরেন বা ফোন বন্ধ রাখেন এবং কন্ট্রোল রুম থেকে বিষয়টি সত্যি বলে প্রমাণিত হয়, তবে ওই অফিসারের বিরুদ্ধে কর্তব্যে অবহেলার দায়ে কড়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমনকি ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে যাতে ফোন বন্ধ না হয়ে যায়। তৎক্ষণাৎ অ্যাকশন রিপোর্ট জমা প্রসঙ্গে কমিশন জানিয়েছে, কন্ট্রোল রুম বা প্রার্থীদের থেকে কোনও অভিযোগ এলেই তা তৎক্ষণাৎ খতিয়ে দেখতে হবে এবং কী ব্যবস্থা নেওয়া হলো (ATR), তা দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে হবে। প্রথম দফার ভোটের ঠিক আগেই এই নজিরবিহীন নির্দেশিকায় প্রশাসনিক মহলে বেশ শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

partha Goswami

22/04/2026

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today