ঘটনায় এপর্যন্ত দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাঁচজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।
শনিবার চেতলায় মদের আসরে বন্ধুর হাতে খুন হন বছর চল্লিশের এক ব্যক্তি। ১৭ নং বাস স্ট্যান্ডের কাছে শাবল দিয়ে কুপিয়ে মারা হয় তাঁকে। মেয়রের ওয়ার্ডে এমন ঘটনায় রাত থেকেই হইচই পড়েছিল, নিরাপত্তা নিয়েও উঠছিল প্রশ্ন। এবার চেতলা থানার ওসি বদল হলেন রাতারাতি।
সুখেন্দু মুখোপাধ্যায়কে সরিয়ে সেই জায়গায় এলেন অমিতাভ সরখেল। নৃশংস খুনের পর এদিন সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছিলেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা ও মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
শনিবার রাতে মদের আসর বসেছিল চেতলার ১৭ নম্বর বাস স্ট্যান্ডের কাছে। মদ্যপান করছিলেন অশোক পাসওয়ান ও তাঁর বন্ধুরা। স্থানীয়রা জানান, সেই সময় অশোকে সঙ্গে বচসা বাধে বাকিদের। এক ‘বন্ধু’ হঠাৎ তাঁর ওপর চড়াও হন এবং শাবল চালিয়ে দেন।
এমনভাবে শাবল অশোকের শরীরে গেঁথে দেওয়ার চেষ্টা হয়, যে তা ওঁর ঘাড়ের পাশ দিয়ে ঢুকে যায়। চিৎকার চেঁচামেচি শুনে স্থানীয়রা ছুটে যান। খবর পৌঁছয় পুলিশে। আধিকারিকরা পৌঁছে অশোককে উদ্ধার করতে গেলে দেখা যায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। ততক্ষণে রক্তে ভেসে যাচ্ছে গোটা এলাকা।
এনিয়েই তৎপর হয় কলকাতা পুলিশ। অভিযুক্তদের খোঁজার পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হয়।
স্থানীয়দের একাংশ বিষয়টি নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে। তাঁরা অনেকেই অভিযোগ তুলেছেন, ইদানিং পরিবেশ খারাপ হয়ে যাচ্ছে। একজন বলেন, ‘অতিরিক্ত নেশা, কোনও প্রতিবাদ নেই। যাতে পরিবেশ সুস্থ হয়, সেটাই চাই। আমরা জানাতে গেলে বেশি মার্ডার হয়ে যাব। আবার একটা খুন হবে। ছোট থেকে এখানে বড় হয়েছি, এসব দেখিনি। সব বাইরে থেকে আসছে, বন্ধুরা আনছে, আপনি বলতে গেলে মেরে দেবে। পুলিশকে জানিয়েও বা কী হবে। পুলিশকেও তো মারতে যায়। পুলিশকে বলেছি যতোটা বলার। আমাদের পাড়ার ছেলে, আড্ডা দিত ওখানে। যেই করে থাকুক, তার যেন শাস্তি হয়।’
Partha Goswami
26/10/2025







