মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এ মাটি রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ—সবাই মিলেমিশে থাকি আমরা। আনন্দ ভাগ করে নিই। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।”
প্রতি বছরই ৬ ডিসেম্বর সংহতি দিবস পালন করে তৃণমূল। আর এদিন ‘সংহতি দিবস’-এ রাজ্যবাসীকে শান্তি ও সম্প্রীতি রক্ষার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। শনিবার একতা ও মিলনের মন্ত্র উচ্চারণ করে সোশ্যাল মাধ্যমে তিনি লিখলেন, বাংলার মাটি বিভেদের কাছে কোনও দিন মাথা নত করেনি, ভবিষ্যতেও করবে না (message of unity, stern warning again communalism)।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এ মাটি রবীন্দ্রনাথ-নজরুলের, রামকৃষ্ণ-বিবেকানন্দের মাটি। হিন্দু, মুসলিম, শিখ, খ্রিস্টান, জৈন, বৌদ্ধ—সবাই মিলেমিশে থাকি আমরা। আনন্দ ভাগ করে নিই। ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।”
সাম্প্রতিক পরিস্থিতিকে ইঙ্গিত করে মমতার কড়া বার্তা, “যারা সাম্প্রদায়িকতার আগুন জ্বালিয়ে দেশ ধ্বংস করতে চাইছে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।” একই সঙ্গে সবাইকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।
তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিনই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় মসজিদের শিলান্যাস করছেন ভরতপুরের সাসপেন্ড হওয়া তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সাসপেন্ডের পর থেকেই তিনি তৃণমূলের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আক্রমণ শানাচ্ছেন। শনিবারও শিলান্যাসের মঞ্চ থেকে দল ও নেতৃত্বকে নিশানা করেন তিনি।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার বহরমপুরে সভা করে মুর্শিদাবাদের মানুষকে আগেই সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। হুমায়ুনের নাম না করে তাঁর মন্তব্য—দাঙ্গার রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না, শান্তিশৃঙ্খলা নষ্টের চেষ্টা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সংহতি দিবসের আবহে মুখ্যমন্ত্রীর এই বার্তা এবং একই দিনে হুমায়ুনের পাল্টা মন্তব্য—রাজ্য রাজনীতিতে সাম্প্রদায়িকতা বনাম সম্প্রীতির দ্বন্দ্বকে আরও উস্কে দিল বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
Partha Goswami
06/12/2025







