হুমায়ুনের বেলডাঙায় গিজগিজ করছে লোক, মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে কি বিরিয়ানি কম পড়বে?

SHARE:

কিন্তু চোখের আন্দাজে এই সংখ্যাটা ছাড়িয়ে গেছে বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে। বাঁশের বল্লি তৈরি করে মাঠের মাঝ বরাবর ব্যারিকেড করে রাখা হয়েছে।

বিরিয়ানি কি কম পড়বে?  শিলান্যাস উপলক্ষে বেলডাঙার (Beldanga) মরাদিঘি এলাকায় যে পরিমাণ লোক গিজগিজ করছে, তাতে স্বাভাবিকভাবেই এই প্রশ্নটা চলে আসে। অনুষ্ঠানের জন্য বিশাল আয়োজন হয়েছে। ৪০ হাজার অতিথির জন্য বিরিয়ানি প্রস্তুত করার বরাত দেওয়া হয়েছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সাত সাতটি কেটারিং সংস্থাকে। কিন্তু চোখের আন্দাজে এই সংখ্যাটা ছাড়িয়ে গেছে বলেই ধরে নেওয়া যেতে পারে। বাঁশের বল্লি তৈরি করে মাঠের মাঝ বরাবর ব্যারিকেড (Beldanga Crowd) করে রাখা হয়েছে। ঠিক যেমনটা কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Ground) গ্রাউন্ডে হয়। সেই খোপ ধরে ধরে রাজনৈতিক দলগুলো তাদের জনসভায় কত লোক হয়েছে না হয়েছে তার হিসেব রাখে। বেলডাঙার মরাদিঘির (Humayun Kabir Babri Masjid Crowd) মাঠে কানায় কানায় পূর্ণ। জায়গা না পেয়ে হুমায়ুনের অনুগামী তথা মসজিদ কৌতুহলীরা আশপাশের বাড়ির ছাদে পর্যন্ত বসে গেছে। মুর্শিদাবাদের (Humayun Babri Masjid) ঠান্ডা হাওয়ায় পড়ন্ত দুপুরের রোদ মেখে যেন রাজনীতির বাইরেও একটা অন্য উৎসবের আমেজ।

শনিবার বেলা ১২টা থেকে শিলান্যাসের মূল পর্ব শুরু হলেও, অনুষ্ঠানস্থলে সকাল ১০টা থেকেই শুরু যায় যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা। আয়োজকদের দাবি, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত ছাড়াও দেশের নানা জায়গা থেকে বহু ইসলাম ধর্মগুরু এই অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। ভিড় এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা সামলাতে শুক্রবার থেকেই প্রায় দু’ হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। পুরো আয়োজনের খরচ ধরা হয়েছিল প্রায় ৬০–৭০ লক্ষ টাকা।

মরাদিঘি মোড়ের কাছে প্রায় ২৫ বিঘা জায়গা জুড়ে বিশাল মঞ্চ নির্মাণ হয়েছে। দৈর্ঘ্য ১৫০ ফুট, প্রস্থ ৮০ ফুট। প্রায় চারশো অতিথির বসার ব্যবস্থা সেখানে। মঞ্চ নির্মাণেই নাকি খরচ হয়েছে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা। শুধু খাওয়াদাওয়াতেই ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ লক্ষ টাকা। কিন্তু যা ভিড় হয়েছে, তাতে খাওয়াদাওয়ার খরচ বেড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

হুমায়ুনের ট্রাস্টের তরফে মোট তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছেন এদিন। গাড়ির চাপ সামাল দেওয়া থেকে শুরু করে জাতীয় সড়ক সংলগ্ন এলাকায় যান চলাচল সচল রাখা, সবই তাঁদের দায়িত্বে।

শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের পর জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তারা হুমায়ুনের সঙ্গে বসে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। সেই মতো শনিবারের এই অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে শুধু মাত্র নিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে। তবে আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে, এই অতিরিক্ত জনসমাগমে জাতীয় সড়কে যান চলাচল না থমকে যায়।

Partha Goswami

06/12/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई