দু’দফায় ভোট হবে বিহারে, ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের

SHARE:

বিহারের সব ভোটারের উদ্দেশে বললেন, রাজ্যের ছটপুজো সহ যেমন ভাবে আমরা সব উৎসবকে পালন করেন। ভোটের দিনও সেভাবে উৎসবের মতো করে পালন করুন।

দিনক্ষণ ঘোষণা হয়ে গেল বিহারের বিধানসভা নির্বাচনের (Bihar Elections)। এর আগেই জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI) ইঙ্গিত দিয়েছিল যে, ভোট ২২ নভেম্বরের মধ্যে শেষ করা হবে। ঘোষণায় দেখা গেল সেটাই। দু’দফায় ভোট হবে বিহারে। প্রথম দফার ভোট হবে ৬ নভেম্বর এবং দ্বিতীয় বা শেষ দফার ভোট ১১ নভেম্বর। গণনা ও ফল ঘোষণা ১৪ নভেম্বর।

অর্থাৎ প্রত্যাশা মতো ছটপুজোর পরেই বিহারে ভোট হবে। সোমবার দিল্লিতে একথা ঘোষণা করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বিহারের সঙ্গেই নির্বাচন কমিশন এবার মোট ১৭টি পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা পরবর্তীকালে গোটা দেশের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

  • এপিক বা সচিত্র পরিচয়পত্র বিনামূল্যে হাতে তুলে দেবে।
  • বিএলওদের জন্য সচিত্র পরিচয়পত্র।
  • বুথের বাইরে মোবাইল জমা রাখার বিশেষ জায়গা।
  • আগের থেকে অনেক স্পষ্ট ভোটার ইনফর্মেশন স্লিপ। যাতে সিরিয়াল এবং পার্ট নম্বর বড় হরফে লেখা থাকবে।
  • ওয়ান স্টপ ডিজিটাল প্লাটফর্ম- যেমন ইসিআইনেট অ্যাপ, যেখানে ভোটার সংখ্যার হালহকিকত থাকবে।
  • প্রতিটি পোলিং স্টেশনে থাকবেন ১২০০ ভোটার।
  • ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের ১০০ মিটার দূরেই থাকবে প্রার্থীদের বুথ।
  • প্রতিটি পোলিং স্টেশনে থাকবে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং।
  • ইভিএম ব্যালট পেপার গাইডলাইন সংশোধিত করা হয়েছে।
  • ডিজিটাল ইনডেক্স কার্ড ও রিপোর্ট।
  • অসংলগ্নতা ধরা দিলে ভিভিপ্যাট গণনা আবশ্যক।
  • পোস্টাল ব্যালটের উপর কড়া নজরদারি।

১৫ দিনের মধ্যে মিলবে ভোটার কার্ড। সাংবাদিক সম্মেলনে জানালেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এবার বিহারে প্রায় ৯০ হাজার ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ভোটদানের আগে মোবাইল রেখে ভিতরে যেতে হবে। এর পরীক্ষা আমরা আগে করেছি। এবার গোটা বিহারে তা প্রয়োগ করা হবে। প্রযুক্তিগত দিক থেকে কমিশন বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ করছে। লম্বা লাইন যাতে হতে না পারে, তার জন্য আমরা এবার গোটা দেশে বুথপ্রতি ১২০০ ভোটার সংখ্যা রাখা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, এই বিহার ভোটের আগেই বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে কিছুদিন আগে পর্যন্ত গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠেছিল। গত বর্ষাকালীন অধিবেশনে সংসদের অধিকাংশ দিনই ভন্ডুল হয়ে গিয়েছিল বিরোধীদের একযোগে বিক্ষোভে। বিষয়টি গড়ায় সুপ্রিম কোর্টেও। বিশেষত ভোটার তালিকা ও নাগরিকত্বের প্রমাণ স্বরূপ আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, রেশন কার্ডকে কমিশন গ্রাহ্য না করায় বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়ে ওঠে।

Partha Goswami

06/10/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today