সঞ্জীবের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি নিজেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি এখন ছাত্র নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে এনরোল্ডও নন। কিন্তু অনেকে দাবি করছেন, তাঁর জন্য আলাদা মিটিং ডাকা হচ্ছে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jadavpur University) ফের ভর্তি (Admission) নিয়ে বিতর্ক। অভিযোগ উঠেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগে (Journalism) প্রভাব খাটিয়ে ভর্তির আবেদন করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা (TMC Leader)। তিনি বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই পিএইচডি গবেষক। তবু গবেষণা চলাকালীনই ফের মাস্টার্স (Masters) বা স্নাতকোত্তরে ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ।
অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম সঞ্জীব প্রামাণিক। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, সঞ্জীব আবেদন করতেই তা দ্রুত অনুমোদিত হয়। এমনকী প্রবেশিকা পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডও (Admit Card) জারি হয় তার নামে। পরীক্ষা দিয়ে ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়াও সম্পূর্ণ করে ফেলেন তিনি। এই ঘটনাতেই ক্ষোভ ছড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে। এরপরই যাদবপুরের প্রায় সব ছাত্র সংগঠন একজোট হয়ে বিক্ষোভে সামিল হয়।
এসএফআই-এর এক সদস্য বলেন, “আমরা দেখেছি, গণমাধ্যম বিভাগে তৃণমূলের এক নেতা বর্তমানে পিএইচডি (PhD) করছেন। অথচ তাঁকে আবার একই বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি করানো হয়েছে। এটা স্পষ্টত বেআইনি।” তাঁদের দাবি, অবিলম্বে ওই ছাত্রের ভর্তি প্রক্রিয়া বাতিল করতে হবে। পাশাপাশি তারা এও বলছেন, যারা সত্যি যোগ্য তাঁদের ভর্তির সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে এভাবে।
অন্যদিকে সঞ্জীবের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ, তিনি নাকি নিজেই ঘোষণা করেছেন যে, তিনি এখন ছাত্র নন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে এনরোল্ডও নন। কিন্তু অনেকে দাবি করছেন, তাঁর জন্য আলাদা মিটিং ডাকা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কোনও তথ্যগত ভুল থাকলে আবেদন বাতিল হবে – ফর্মে স্পষ্ট লেখা থাকলেও তাঁকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
যে তৃণমূল ছাত্র নেতার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ, সেই সঞ্জীব প্রামাণিক অবশ্য বিষয়টিকে প্রশাসনিক ত্রুটি বলেই দাবি করেছেন। তাঁর বক্তব্য, তিনি রিসার্চ স্কলার। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই ফর্মে এমন বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তিনি এও বলেন, তাঁর মাস্টার্সে ভর্তি হওয়া নিয়ে আপত্তির কথাও বিশ্ববিদ্যালয়কে জানিয়েছেন।
Partha Goswami
13/10/2025







