শুক্রবার নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে কমিশনের পক্ষ থেকে এক উচ্চস্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশ নেন বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির শীর্ষ আধিকারিকরা।
বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Election) নগদ টাকা, মাদক, মদ ও অন্যান্য প্রলোভনের অবাধ যোগান রুখতে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার নয়াদিল্লির নির্বাচন সদনে কমিশনের পক্ষ থেকে এক উচ্চস্তরের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশ নেন বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির শীর্ষ আধিকারিকরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক জোশি, বৈঠকে যে কোনও ধরনের বেআইনি কার্যকলাপে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে সক্রিয় ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন। বৈঠকে সিবিডিটি (CBDT), সিবিআইসি (CBIC), ইডি (ED), ডিআরআই (DRI), এনসিবি (NCB), বিএসএফ (BSF), সিআইএসএফ (CISF), আরবিআই (RBI), রেলওয়ে প্রোটেকশন ফোর্স (RPF), পোস্টাল ডিপার্টমেন্ট-সহ মোট বারোটি এজেন্সির আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন বিহারের মুখ্যসচিব (Chief Secretary), বিহার রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশক (DGP), State (Bihar) Police Nodal Officer। বিহারের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিকও (CEO, Bihar) অনলাইনে বৈঠকে যোগ দেন।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, ভোটের সময় নগদ, মাদক বা অন্য কোনও প্রলোভনমূলক উপায়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার প্রচেষ্টা যাতে রোখা যায়, তার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ রোডম্যাপ প্রস্তুত করা হচ্ছে।
শুক্রবারের বৈঠকে কমিশন যে নির্দেশ গুলো দিয়েছে সেগুলি হল,
- ১) সমস্ত আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার মধ্যে অর্থনৈতিক অপরাধ সংক্রান্ত তথ্যের আদান-প্রদান ও সমন্বয় বাড়াতে হবে।
- ২) জাতীয়, রাজ্য ও জেলা স্তরে সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।
- ৩) চোরাচালান, জাল টাকা, মাদক, মদ এবং নগদের আন্তঃরাজ্য ও আন্তর্জাতিক সীমান্তে চলাচল রোধে বিশেষ নজরদারি চালাতে হবে।
- ৪) বিহার নির্বাচনে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে কার্যকর করতে হবে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
Partha Goswami
17/10/2025







