রক্ষাকবচ: ‘বড় মস্তান হয়েছিল’, খোঁচা কল্যাণের, ‘বেকার নাচছে’ বলছেন শুভেন্দু! আদতে হলটা কী!

SHARE:

রাজনীতি ধারনায় চলে। ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজশেখর মান্থার (Judge Rajashekhar Mantha) একটি রায় বাংলার রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছিল। বিচারপতি মান্থা তাঁর নির্দেশে জানিয়েছিলেন, হাই কোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতি ছাড়া শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না। শুক্রবার সেই কলকাতা হাই কোর্টই শুভেন্দুর (Rakshakabach Suvendu Adhikari Calcutta High Court Verdict) অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিল।

রাজনীতি ধারণায় চলে। ২০২২ সালের ৮ ডিসেম্বর কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজশেখর মান্থার (Judge Rajashekhar Mantha) একটি রায় বাংলার রাজনীতিতে (Bengal Politics) বড় প্রভাব ফেলেছিল। বিচারপতি মান্থা তাঁর নির্দেশে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের (Calcutta High Court) অনুমতি ছাড়া শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) বিরুদ্ধে কোনও এফআইআর দায়ের করা যাবে না। কোনও রকম কঠোর পদক্ষেপ করতে পারবে না রাজ্য। উচ্চ আদালতের এই নির্দেশ রাজ্য রাজনীতিতে শুভেন্দুকে ‘অহেতুক’ উচ্চতা দিয়েছিল বলে মনে করতে থাকেন শাসক দলের (TMC) অনেকেই। সম্ভবত সে কারণে বিচারপতি মান্থার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণেও নেমে পড়েছিলেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। বিচারপতি মান্থার বাসভবনের কাছে পোস্টারও পড়েছিল।

কাট টু ২৪ অক্টোবর ২০২৫। শুক্রবার সেই কলকাতা হাইকোর্টই শুভেন্দুর (Rakshakabach Suvendu Adhikari Calcutta High Court Verdict) অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ প্রত্যাহার করে নিল। শুধু তা নয়, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে থাকা ৪টি মামলায় তদন্ত শুরু করার জন্য রাজ্য সরকার এবং সিবিআইকে যৌথ ভাবে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠনের নির্দেশও দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

বিধানসভা ভোট আসছে। তার মাত্র ৬ মাস আগে উচ্চ আদালতের এই রায় ফের আন্দোলিত করে তুলল রাজ্য রাজনীতিতে। কারণ, ২০২২ সালের রায় যদি শুভেন্দুকে উচ্চতা দিয়ে থাকে, সেই শর্তে শুক্রবারের রায় বিরোধী দলনেতার জন্য ধাক্কাও বটে।

এদিন হাইকোর্ট রায় ঘোষণার পর পরই তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Banerjee) বলেন,“আদালত থেকে রক্ষাকবচ নিয়ে যা ইচ্ছে তাই করে বেড়াত। পুলিশ এফআইআর পর্যন্ত করতে পারত না। বাংলায় বড় মস্তান হয়ে উঠেছিল শুভেন্দু অধিকারী (suvendu Adhikari)। নিজেকে ডন-মস্তান ভাবছিল। এবার বুঝুক।”

কল্যাণের দাবি, শুভেন্দুর রক্ষাকবচ উঠে যেতেই এখন তদন্তের রাস্তা খুলে গেল। তাঁর কথায়, “শুভেন্দু কেন, ওর ক্লোজ সার্কেলে যারা আছে, তাদের বিরুদ্ধেও মামলা হবে। তদন্ত শুরু হলে চাকরি চুরিতে কত টাকা তুলেছিল শুভেন্দু—সব বেরিয়ে আসবে” ।

কল্যাণকে আবার ‘জোকার’ বলেন শুভেন্দু। তাঁর পাল্টা দাবি, “তৃণমূল বেকার নাচছে। এই মামলা আমারই পক্ষে গেছে”। শুভেন্দুর কথায়, “আমার বিরুদ্ধে যত গুলো মিথ্যে মামলা দিয়েছিল এই জেহাদি সরকার সব স্থগিত করে দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি, খুন, হামলা থেকে শুরু করে যা যা মিথ্যে মামলা সাজিয়েছিল সেগুলোও খারিজ করেছে। এই রায় আমার কাছে কোন নেগেটিভ রায় নয়। তৃণমূল নাচছে নাচুক। ওরা সারাদিন আমাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে”।

Partha Goswami

24/10/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई