উঁচু ক্লাসে পড়তে গেলে ‘কুমারীত্বের প্রমাণ’ দিতে হবে! ১৩ বছরের ছাত্রীর অভিযোগে কাঠগড়ায় মাদ্রাসা

SHARE:

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, শিশু অধিকার রক্ষা কমিশনকেও বিষয়টি জানানো হবে যদি অভিযোগ প্রাথমিকভাবে সত্য প্রমাণিত হয়।

উঁচু ক্লাসে উঠতে হলে ‘কুমারীত্বের প্রমাণ’ (virginity certificate) দিতে হবে, উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) এক মাদ্রাসার (madrasa) বিরুদ্ধে এমন একটি অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনাটি সামনে আসার পর তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

১৩ বছরের একটি কিশোরীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। উত্তরপ্রদেশের মোরাদাবাদ (moradabad madrasa controversy) শহরের একটি মাদ্রাসা অভিযুক্ত যে তারা এক কিশোরীর বাবা-মাকে মেয়ের ‘ভার্জিনিটি সার্টিফিকেট’ (কৌমার্য প্রমাণপত্র) জমা দিতে বলেছিল, তাকে পরবর্তী শ্রেণিতে উন্নীত করার শর্ত হিসেবে।

ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাটি মোরাদাবাদের লোধিপুরা এলাকার। সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, ১৩ বছরের ওই ছাত্রীটি সম্প্রতি সপ্তম শ্রেণির পরীক্ষা দিয়েছে। পরীক্ষায় পাশ-ও করেছে সে। কিন্তু মাদ্রাসা মারফরত জানানো হয় যে কুমারীত্বের প্রমাণ স্বরূপ ‘ভার্জিনিটি’ সার্টিফিকেট না জমা করলে উঁচু ক্লাসে উঠতে দেওয়া হবে না তাকে।

ওই ঘটনার পরই ওই নাবালিকা পড়ুয়ার বাবা স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে বলে জানিয়েছে।

সূত্র অনুযায়ী, সম্প্রতি ওই ছাত্রী পরীক্ষায় পাশ করার পর কয়েকদিনের জন্য মায়ের সঙ্গে প্রয়াগরাজে মামার বাড়ি গিয়েছিল। ফিরে এসে পড়াশোনা শুরু করতে গিয়ে জানা যায় এই ঘটনা।

অভিযোগে ছাত্রীর বাবা, যিনি চণ্ডীগড়ের বাসিন্দা, জানিয়েছেন, “পরীক্ষার পর মেয়েকে আবার মাদ্রাসায় ভর্তি করাতে গেলে কর্তৃপক্ষ জানায়, আগে তার ‘ভার্জিনিটি সার্টিফিকেট’ দিতে হবে। তবেই তাকে ক্লাসে বসতে দেওয়া হবে।”

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, এ বিষয়ে আপত্তি জানালে মাদ্রাসার কর্মীরা তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেন এবং পরে মেয়েটির টিসি (ট্রান্সফার সার্টিফিকেট) হাতে তুলে দিয়ে নাম কেটে দেন।

তবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, বিষয়টি ‘ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’।

মোরাদাবাদের এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দেখা হচ্ছে। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

Partha Goswami

 

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today

सबसे ज्यादा पड़ गई