এই শুভেন্দুই মুকুলের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইনে মামলা করেছিলেন। প্রথমে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়। কিন্তু শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এই মামলা কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) করতে হবে।
“সংবিধানের জয় হয়েছে। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় (Biman Banerjee) তাঁর চেয়ারকে অমর্যাদা করেছেন, সংবিধান মানেনি। আমি তাঁর পদত্যাগ দাবি করছি।” দলত্যাগ বিরোধী আইনে মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বিধায়ক পদ খারিজ হতেই বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনা হল, এই শুভেন্দুই মুকুলের বিরুদ্ধে দলত্যাগবিরোধী আইনে মামলা করেছিলেন। প্রথমে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়। কিন্তু শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল, এই মামলা কলকাতা হাইকোর্টে (Kolkata High Court) করতে হবে। সেই মামলাতেই বৃহস্পতিবার বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির বেঞ্চ বিধায়ক পদ খারিজ করে দেয়।
এ ব্যাপারে শুভেন্দুর সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, “২০১১ সাল থেকে ৫০ জন বিধায়ককে এইভাবে রেখেছেন স্পিকার বিমান। কংগ্রেস-সিপিএম পারেনি, আমরা চার বছর ধরে লড়াই করে সংবিধানের মর্যাদারক্ষা করেছি।”
তাহলে কি আরও বিধায়কদের জন্যেও এমন কিছু অপেক্ষা করছে? শুভেন্দুর জবাব, “আমরা ইমিডিয়েট আদালতে যাচ্ছি। সুমন কাঞ্জিলাল, তাপসী মণ্ডল, এবং তন্ময় ঘোষের ব্যাপারে। মুকুলের মতো অন্যদের ক্ষেত্রেও এক যাত্রায় পৃথক ফল হতে পারে না। আমাদের কাছে প্রমাণ রয়েছে তিনজন তৃণমূলের মিটিংয়ে যাচ্ছেন। বক্তৃতা করছেন। তৃণমূলের পদাধিকারী হয়েছেন। তৃণমূলের সঙ্গে রয়েছেন। এরকম ভূরি ভূরি অডিও, ভিডিও আছে। আদালতে প্রমাণ করে দেব।”
শুভেন্দু বলেন, “আজকের এই রায়, ল্যান্ডমার্ক হয়ে থাকল। বিজেপি আমায় বিরোধী দলনেতা করেছে কেন? কংগ্রেস-সিপিএম পারেনি, আমি দীর্ঘ চার বছর ধৈর্য ধরে, লড়াই করে এটা পেরেছি।”
অন্যদিকে, মুকুল রায়ের পুত্র শুভ্রাংশু রায়কে ফোন করা হলে প্রথমে ফোন বেজে যায়। পরে তিনি নিজেই ফোন করে জানালেন, “এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না।”
Partha Goswami
13/11/2025







