গত সপ্তাহে সোমবার লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনা পুরো চক্রটিকে প্রকাশ্যে এনে দেয়। তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন, যদি এই গাড়িগুলো একের পর এক সক্রিয় করা হতো, তাহলে ক্ষয়ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।
দিল্লি বিস্ফোরণকাণ্ডে (Delhi Red Fort Blast) ধৃত শাহিন সইদ (Shaheen Saeed) এবং মুজাম্মিল শাকিল (Muzammil Shakeel) একটি মারুতি সুজুকি ব্রেজা (Maruti Suzuki Brezza) কিনেছিলেন, এটি সেই ৩২টি গাড়ির মধ্যে একটি, যেগুলি বিস্ফোরক বহন করা বা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় বোমা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। ইতিমধ্যেই একটি ছবি তদন্তকারীদের হাতে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে অভিযুক্ত দু’জন শোরুমে তাঁদের নতুন গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছেন।
সূত্রে খবর, গত ২৫ সেপ্টেম্বর ব্রেজা গাড়িটি কেনেন শাহিন ও মুজাম্মিল। গাড়িটি কেনার সময় সম্পূর্ণ টাকা নগদে দেওয়া হয়েছিল। এই নগদ লেনদেন এখন তদন্তকারীদের আলাদা করে নজরে রয়েছে। এই টাকা কোথা থেকে এল, কারা সরবরাহ করল এবং এই লেনদেনের উদ্দেশ্য কী, এই প্রশ্নের উত্তর জানতে খুঁজছে তদন্তকারীরা।
সূত্রের দাবি, বিস্ফোরণে ব্যবহৃত হুণ্ডাই আই ২০-সহ মোট ৩২টি গাড়িকে একটি ধারাবাহিক ‘প্রতিশোধমূলক’ হামলার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছিল। এই সিরিজ হামলার লক্ষ্য ছিল বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। আগামী ৬ ডিসেম্বর, অযোধ্যার বাবরি মসজিদ ভাঙার বার্ষিকীর দিনেই শুধু দিল্লির ৬টি জায়গায় বিস্ফোরণের পরিকল্পনা ছিল তাঁদের।
গত সপ্তাহে সোমবার লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের ঘটনা পুরো চক্রটিকে প্রকাশ্যে এনে দেয়। তদন্তকারীরা আশঙ্কা করছেন, যদি এই গাড়িগুলো একের পর এক সক্রিয় করা হতো, তাহলে ক্ষয়ক্ষতি আরও ভয়াবহ হতে পারত।
কে বা কারা এই ৩২টি গাড়ি জোগাড় করেছিল, কীভাবে বিস্ফোরক ভরা হচ্ছিল এবং কীভাবে চক্রটি এতদিন নজরের বাইরে ছিল, এই বিষয়গুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শাহিন এবং মুজাম্মিলের নগদে গাড়ি কেনা সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। তাঁদের মতে, গাড়িগুলিতে ট্র্যাকিং বা ডিজিটাল ট্রেস না রাখতে নগদ লেনদেন বেছে নেওয়া হয়েছিল।
Partha Goswami
18/11/2025







