Delhi Blast: আরও চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল এনআইএ, উপত্যকায় জোর তল্লাশি

SHARE:

বিস্ফোরণের পর থেকেই বাড়ছিল জল্পনা— কে বা কারা এর পিছনে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে একের পর এক গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

দিল্লির লালকেল্লা (Delhi Blast) সংলগ্ন নেতাজি সুভাষ মার্গে ১০ নভেম্বরের ভয়াবহ গাড়িবোমা বিস্ফোরণের তদন্তে বড় সাফল্য পেল জাতীয় তদন্ত সংস্থা (NIA)। ঘটনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৫। জখম অন্তত ২৫। বিস্ফোরণের পর থেকেই বাড়ছিল জল্পনা— কে বা কারা এর পিছনে? সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে একের পর এক গ্রেফতার করেছে এনআইএ।

তদন্তে প্রথম বড় অগ্রগতি আসে কাশ্মীরের (Kashmir) বাসিন্দা আমির রশিদ আলি-র গ্রেফতারের (Arrest) মধ্য দিয়ে। তাঁর নামেই ছিল বিস্ফোরণে ব্যবহৃত গাড়ির রেজিস্ট্রেশন। এনআইএ-র দাবি, আত্মঘাতী হামলাকারী উমর নবি-র সঙ্গে মিলেমিশে হামলার ছক কষেছিলেন আমির। নবি-র আর একটি গাড়িও জব্দ করেছে এনআইএ। ইতিমধ্যেই ঘটনায় ৭৩ জন প্রত্যক্ষদর্শী ও আহত ব্যক্তির বয়ান নথিভুক্ত করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

আরও চার ‘মুখ্য ষড়যন্তকারী’ গ্রেফতার

তদন্তের গতি আরও বাড়াতে এনআইএ এবার শ্রীনগর থেকে গ্রেফতার করল চার প্রধান অভিযুক্তকে। তাঁরা হলেন—

ডা. মুজাম্মিল শেখিল গনাই (পুলওয়ামা, জম্মু ও কাশ্মীর)

ডা. আদিল আহমেদ রাঠার (অনন্তনাগ, জম্মু ও কাশ্মীর)

ডা. শাহিন সইদ (লখনউ, উত্তরপ্রদেশ)

মুফতি ইরফান আহমদ ওয়াগে (সোপিয়ান, জম্মু ও কাশ্মীর)

পাটিয়ালা হাউস কোর্টের নির্দেশে তাঁদের হেফাজতে নেওয়া হয়। এনআইএ জানাচ্ছে, হামলার পরিকল্পনা, অর্থসংস্থান, প্রযুক্তিগত সহায়তা— সব দিকেই বড় ভূমিকা ছিল এই চার জনের।

আগেই ধরা পড়েছিলেন দুই অভিযুক্ত

এর আগে গ্রেফতার হয়েছিলেন, আমির রশিদ আলি (বিস্ফোরকবাহী গাড়ির মালিক)

জাসির বিলাল ওয়ানি ওরফে দানিয়েল (মডিউলকে প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতেন)

এঁদের জেরা থেকে মিলেছে গুরুত্বপূর্ণ হদিস।

বড় চক্রের সন্ধানে এনআইএ

ঘটনার পরপরই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক তদন্তের দায়িত্ব দেয় এনআইএ-কে। দিল্লি পুলিশ, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক রাজ্যের পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ে চলছে তদন্ত। এনআইএ-র দাবি, বিস্ফোরণের পিছনে থাকা বৃহত্তর জঙ্গি মডিউল চিহ্নিত করতে তৈরি রয়েছে একাধিক সূত্র। খুব শিগগিরই উঠে আসবে পুরো চক্রের চেহারা।

গত ১০ নভেম্বর সন্ধ্যায় দিল্লিতে লালকেল্লার কাছে একটি ‘হুন্ডাই আই২০’ গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। ওই গাড়ির চালক ছিলেন উমর। পরে আশপাশের বেশ কিছু সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ্যে আসে। তাতে দেখা যায় বিস্ফোরণে উড়ে যাওয়া গাড়িটি লালকেল্লার অদূরে একটি পার্কিংয়ে প্রায় তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ছিল।

Partha Goswami

20/11/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today