নতুন প্রতিষ্ঠিত ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্সে (DFHQ) বক্তৃতা দিতে গিয়ে মুনির বলেন, “ভারত যেন কোনও ভুল ধারণায় না থাকে। পরের বার পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া আরও দ্রুত এবং আরও কঠোর হবে।”
পদে বসেই কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রথম চিফ অফ ডিফেন্স ফোর্সেস (CDF) আসিম মুনির (Asim Munir)। দেশের সর্বোচ্চ সামরিক পদে প্রথম ভাষণেই ভারতের (India Pakistan) উদ্দেশে সরাসরি সতর্কবার্তা এবং আফগানিস্তানের (Afghanistan) তালিবান শাসকদের প্রতি সুর চড়ালেন তিনি।
নতুন প্রতিষ্ঠিত ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্সে (DFHQ) বক্তৃতা দিতে গিয়ে মুনির বলেন, “ভারত যেন কোনও ভুল ধারণায় না থাকে। পরের বার পাকিস্তানের প্রতিক্রিয়া আরও দ্রুত এবং আরও কঠোর হবে। তালিবান শাসনকেও স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে— তাদের পাকিস্তান ও ফিতনা আল খারিজ (নিষিদ্ধ TTP-কে বোঝাতে ব্যবহৃত শব্দ)–এর মধ্যে একটি পথ বেছে নিতেই হবে।”
এর পরই তাঁর ঘোষণা, “পাকিস্তান শান্তিপ্রিয় দেশ। কিন্তু দেশের সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষায় কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। পাকিস্তানের ধারণা অজেয়— যাকে রক্ষা করছে ইমানদার যোদ্ধারা এবং ঐক্যবদ্ধ জাতির দৃঢ় সংকল্প।”
সপ্তাহ খানেক দেরিতে হলেও শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে সিডিএফ পদে বসেন মুনির। বিশেষজ্ঞদের মতে, সত্তরের দশকের পর পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোয় এত বড় পরিবর্তন আর হয়নি। ২৭তম সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে তৈরি হয়েছে একক সামরিক কমান্ড— যেখানে অপারেশন, প্রশাসন ও কৌশলগত ক্ষমতা একত্রে কেন্দ্রীভূত।
নতুন বিধানে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে পরামর্শ করে সেনাপ্রধান নিয়োগ করবেন এবং সেই সেনাপ্রধানই সমসাময়িকভাবে CDF হিসেবে কাজ করবেন। এর ফলে বাতিল হয়েছে ১৯৭৬ সালে তৈরি হওয়া যৌথ বাহিনী সমন্বয় ব্যবস্থাপনা কমিটির (CJCSC) পদ। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সংশোধন করা হয়েছে ১৯৫২ সালের পাকিস্তান আর্মি অ্যাক্টও।
Partha Goswami
08/12/2025







