অনুদানের টাকা ও গয়না সংরক্ষণের জন্য একটি আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে সেখানে সিসিটিভি-সহ নিরাপত্তার সবরকম ব্যবস্থা করা হবে।
তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গত শনিবার মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন (Humayun Kabir Babri Masjid)। তারপর থেকেই মসজিদ নির্মাণের জন্য দিক দিক থেকে আসতে শুরু করে অনুদান (Babri Masjid Donation)। হুমায়ুনের বাড়িতেই শুরু হয় টাকা গোনার কাজ। সোমবার রাত পর্যন্ত সেই অঙ্ক ছাড়াল ৩ কোটির ঘর। গোনা এখনও চলছেই।
বাবরি মসজিদের অনুদানের জন্য ১১টি বাক্স বসিয়েছিলেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir Babri Masjid)। অল্প সময়ের মধ্যেই সবকটি ভরে গেছে। এছাড়া অনলাইনেও দূর-দুরান্ত থেকে অনুদানের টাকা আসছে। নিয়ে আসা হয়েছে টাকা গোনার বিশেষ যন্ত্র।
দান বাক্সে ৫০০ টাকার নোট থেকে শুরু করে খুচরো, সবই পাওয়া যাচ্ছে। অনেকেই দান করেছেন সোনা, যার বাজারমূল্য লাখে পৌঁছেছে। এখনও কয়েকটি বাক্স পড়ে আছে, সেগুলিও গোনার কাজ চলছে।
কেউ কেউ আবার মসজিদ নির্মাণের জন্য ইট, বালি পাথর দান করছেন। আর সেই কারণেই ক’দিন ধরে বেলডাঙা-রেজিনগরে ইটের ভাটায় ইটের জোগান দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে মালিকরা। প্রয়োজনে এসেও খালি হাতে ফিরে যেতে হচ্ছে অনেক গ্রাহককেই।
ইট ভাটার মালিকরা জানিয়েছেন, ৬ তারিখেই প্রায় দেড় লক্ষ টাকার ইট বিক্রি হয়। রবিবার ও সোমবার আরও কয়েক লাখ টাকার বিক্রি হয়েছে, এগুলো মূলত দানের জন্যই কেনা হচ্ছে বলে অনুমান মালিকপক্ষের।
৬ ডিসেম্বর বেলডাঙায় বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir Babri Masjid)। তার আগেই দলবিরোধী কাজের অভিযোগে ভরতপুরের বিধায়ককে সাসপেন্ড করে তৃণমূল (TMC Suspend HUmayun Kabir)। শনিবার সভাস্থল থেকেই সাধারণ মানুষের উদ্দেশে অনুদানের আর্জি জানিয়েছিলেন তিনি।
রবিবার সন্ধে থেকে শুরু হয় টাকা গোনা। সোমবার রাত পেরিয়ে মঙ্গলবারও চলবে সেই কাজ। হুমায়ুনের কথায়, মানুষ মুক্তহস্তে দান করেছে।
হুমায়ুন ঘনিষ্ঠদের তরফে জানা গেছে, অনুদানের টাকা ও গয়না সংরক্ষণের জন্য একটি আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করা হবে। প্রয়োজনে সেখানে সিসিটিভি-সহ নিরাপত্তার সবরকম ব্যবস্থা করা হবে।
Partha Goswami
09/12/2025







