শুক্রবার দুপুরের পর ঢাকার জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধির সামনে কিছুক্ষণ একা দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন বিএনপি নেতা

বিএনপি’র কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান তারেক জিয়া (Tarek Zia) শুক্রবার ঢাকায় তাঁর প্রয়াত পিতা সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ১৭ বছর নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বৃহস্পতিবার লন্ডন থেকে দেশে ফিরেছেন তিনি। দেশ ছাড়ার আগে দু’বছর জেল এবং মামলায় জেরবার তারেক বাবার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগ পাননি।
শুক্রবার দুপুরের পর ঢাকার (Dhaka) জিয়া উদ্যানে জিয়াউর রহমানের সমাধির সামনে কিছুক্ষণ একা দাঁড়িয়ে প্রার্থনা করেন বিএনপি নেতা। ওই সময় তাঁকে রুমালে চোখ মুছতে দেখা যায়। ওই সামান্য সময় টুকু ছাড়া তারেক জিয়াকে সর্বক্ষণ চার স্তরের নিরাপত্তার চাদরে পরিবৃত থাকতে হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ইস্যু করা বিশেষ অনুমতিপত্রধারী নেতারা বাদে কেউই বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ধারে কাছে যেতে পারছেন না।
তবে বৃহস্পতিবারের মতো শুক্রবারও তারেককে নিয়ে বিএনপি’র সাধারণ নেতা কর্মী সমর্থকদের মধ্যে তুমুল কৌতূহল লক্ষ্য করা গেছে। সকাল থেকে তাঁর বাড়ির সামনে বহু মানুষ জড়ো হন। তাঁরা বলেন, বৃহস্পতিবারের ভিড়ে নেতাকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়নি। তাই তাঁরা এসেছেন যদি একবার চাক্ষুষ করা যায়। যদিও নিরাপত্তা বাহিনী তারেকের ত্রিসীমানায় কাউকে ঘেষতে দিচ্ছে না। ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ভোট গ্রহণ করার কথা রয়েছে। তারেক কবে থেকে নির্বাচনী প্রচারে নামবেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফেরার পর থেকে তাঁকে ঘিরে নিরাপত্তার আয়োজন দেখে স্পষ্ট যে সাধারণ নেতাকর্মীরা তাঁর কাছে ঘেঁষার তেমন একটা সুযোগ পাবেন না।
বিএনপি’র এই নেতা বৃহস্পতিবার দেশে ফিরলেও তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে আইনি জটিলতা কেটে গিয়েছিল বেশ কয়েক মাস আগেই। একাধিক সূত্রের খবর নিরাপত্তা নিয়ে নিশ্চয়তা না মেলায় বিএনপির কার্যনির্বাহী চেয়ারম্যান দেশে ফেরার ব্যাপারে নিশ্চিত হতে পারছিলেন না। এমনকী দিন কুড়ি আগে তিনি ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন দেশে ফেরাটা তাঁর একার সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে না। আর কারা তাঁর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সম্পৃক্ত তাও অবশ্য তিনি প্রকাশ করেননি। যদিও প্রায় দু মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি ঘোষণা করেছিলেন দেশে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছেন। সব ধরনের প্রস্তুতিও সম্পন্ন।
Partha Goswami
26/12/2025







