এসআইআর-এর শুনানির মাঝেই বড় নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের। কলকাতা হাইকোর্টে বাতিল হওয়া ২০১০-২০২৪ সালের ওবিসি সার্টিফিকেট ব্যবহার করা যাবে না ভোটার তালিকা সংশোধনে।

এসআইআর-এর প্রথম ধাপ শেষ হওয়ার পর রাজ্যে বাদ পড়েছে প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম। এই তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে শুনানি। লক্ষ লক্ষ ভোটারকে নথিপত্র-সহ শুনানিতে হাজির হতে হচ্ছে এবং নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে তাঁদের। এই তালিকায় যেমন সাধারণ মানুষ রয়েছেন, তেমনই রাজ্যের বহু নেতা-মন্ত্রী, প্রাক্তন মন্ত্রী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের নামও রয়েছে।
এই পরিস্থিতির মধ্যেই ওবিসি সার্টিফিকেট সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ জারি করল নির্বাচন কমিশন। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, কলকাতা হাইকোর্টের আদেশে বাতিল হওয়া কোনও ওবিসি সার্টিফিকেট এসআইআর-এর কাজে ব্যবহার করা যাবে না। বুধবার এই নির্দেশিকা জারি করে কমিশন জানায়, ২০১০ সালের পর থেকে ২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত যেসব ওবিসি সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছিল এবং যেগুলি হাইকোর্টের নির্দেশে বাতিল হয়েছে, সেগুলি কোনওভাবেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় গ্রহণযোগ্য হবে না।
এই বিষয়ে জেলা শাসক তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের (ডিইও) প্রয়োজনীয় নির্দেশ পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, যাতে কেউ বাতিল ওবিসি সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়টি জেলা স্তরে নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১০ সালের পরে তৈরি হওয়া সমস্ত ওবিসি তালিকা বাতিল হয়ে যায়। এর ফলে প্রায় ১২ লক্ষ ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল হয়। তবে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ২০১০ সালের আগে ঘোষিত ওবিসি শ্রেণিভুক্ত ব্যক্তিদের শংসাপত্র বৈধ বলেই গণ্য করা হয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী এবং বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ এই সংক্রান্ত নির্দেশ দিয়েছিল।
Partha Goswami
01/01/2026







