বেকবাগানে বাংলাদেশ উপ দূতাবাসে বিক্ষোভ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের, বিকেলে শুভেন্দুও যাবেন সেখানে

SHARE:

বিকেল ৪টে নাগাদ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বেকবাগানে বাংলাদেশ উপ দূতাবাসে বিক্ষোভ হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের, বিকেলে শুভেন্দুও যাবেন সেখানে

বাংলাদেশে দীপু দাস হত্যা (Deepu Das Death) ও সে দেশের হিন্দুদের বিরুদ্ধে হিংসার ঘটনার প্রতিবাদে শিয়ালদহ স্টেশনে সনাতনীদের বিক্ষোভ (Hindu Rally)। শুক্রবার বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসের দিকে এগোচ্ছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের মিছিল (Bangladesh News)। পুলিশ স্পষ্ট জানিয়ে রেখেছে, বেকবাগান (Beckbagan) পর্যন্ত মিছিল যাওয়ার পর, তা আটকে দেওয়া হবে। এখনের যা পরিস্থিতি, তাতে দেখা যাচ্ছে, বিশাল ব্যারিকেড বসানো হয়েছে মিছিল আটকানোর জন্য। অন্যদিকে, বিকেল ৪টে নাগাদ ডেপুটি হাইকমিশনের অফিসে যাবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারত। সেই একই উদ্বেগ রাষ্ট্রপুঞ্জেরও। তিন দিন আগেই দীপুচন্দ্র দাসকে (Dipu Chandra Das) পিটিয়ে খুনের প্রতিবাদে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে কলকাতার বেকবাগান (Kolkata Beck Bagan)।

গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের ময়মনসিংহে ঘটে যাওয়া এই হত্যাকাণ্ডকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Minority Hindus) উপর অত্যাচার এবং ধর্মীয়স্থানে ভাঙচুরের অভিযোগ তুলে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, যখন বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বসানো ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

বিক্ষোভকারীদের হাতে দেখা যায় নানা প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার, যেখানে দীপু দাসের হত্যার বিচার এবং বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসের কুশপুতুলও পোড়ানো হয়।

ক’দিন আগে বাংলাদেশের ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। পরে তাঁর দেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ওই ঘটনায় ইতিমধ্যে ন্যায়বিচারের দাবি তুলেছে ভারত। উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সে দেশের সংখ্যালঘুদের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও। সোমবার রাষ্ট্রপুঞ্জের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিককে প্রশ্ন করা হয় বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে। গত কয়েক দিনে সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণের ঘটনায় মহাসচিবের অবস্থান জানতে চাওয়া হয় (Bangladesh News)।

মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার এ ব্যাপারে বিবৃতিও দিয়েছে। যেখানে দাবি করা হয়েছে, ময়মনসিংহের ঘটনা একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ভারতের কর্তৃপক্ষ বিষয়টিকে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা বলে দেখাচ্ছেন বলে দাবি করেছে তারা। বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, বাংলাদেশে একজন নাগরিকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে সংখ্যালঘু নিরাপত্তার সঙ্গে যুক্ত করার কোনও যৌক্তিকতা নেই।

Partha Goswami

26/12/2025

Vnn Times Today
Author: Vnn Times Today