একবালপুরকাণ্ডে ৩টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের (Rakesh Singh) নামে দুটি এফআইআর হয়েছে। অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয় এবং পুলিশকর্মীদের মারধর পর্যন্ত করা হয়।
কলকাতা বন্দরের বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের (Rakesh Singh) প্রচার কর্মসূচি ঘিরে সোমবার রাত থেকেই উত্তপ্ত একবালপুর (Ekbalpur)। তৃণমূল-বিজেপির কর্মীদের সংঘর্ষে (TMC BJP Conflicts) রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা অঞ্চল। এখনও পর্যন্ত ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন ৫ জন বিজেপি কর্মী ও ৪ জন তৃণমূল কর্মী।
একবালপুরকাণ্ডে ৩টি এফআইআর (FIR) দায়ের হয়েছে। এর মধ্যে বিজেপি প্রার্থী রাকেশ সিংয়ের (Rakesh Singh) নামে দুটি এফআইআর হয়েছে। অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়া হয়, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা হয় এবং পুলিশকর্মীদের মারধর পর্যন্ত করা হয়। এইসব অভিযোগের জেরেই কড়া ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ।
এক পুলিশকর্মীর বডি-ক্যাম ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে, এমনকি দাঙ্গার উত্তেজনার মধ্যেই পুলিশকর্মীর কাছ থেকে সার্ভিস রিভলভার ছিনতাই করার চেষ্টা করা হয় বলেও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। নিরাপত্তা রক্ষীদের বিরুদ্ধে এভাবে হামলা ও অস্ত্র কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা পরিস্থিতির ভয়াবহতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সংঘর্ষের সময় অন্তত ৯ জন পুলিশকর্মী আহত হয়েছেন। অভিযোগ, তাঁদের মারধর করা হয় এবং দায়িত্ব পালন করতে বাধা দেওয়া হয়। সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মীর উপর হামলা, সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, দাঙ্গায় উস্কানি- এমন একাধিক গুরুতর ধারায় মামলার তদন্ত শুরু হয়েছে।
ঘটনার পরে এলাকায় বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি যাতে ফের অবনতি না ঘটে, তার জন্য নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক থাকলেও পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে এবং প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একাধিক রাজনৈতিক দলের অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যে দিয়ে তদন্ত এগোচ্ছে। ঠিক কীভাবে সংঘর্ষ শুরু হল, কারা প্রথম হামলা চালাল, কেন পুলিশকর্মীদের উপর এমন আক্রমণ হল—সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারীরা। জেরা করা হচ্ছে গ্রেফতার হওয়া ৯ জনকেও। পুলিশের বক্তব্য, যারা দোষী প্রমাণিত হবে, তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Partha Goswami
21/04/2026







