রাজ্যসভার ৬৩ জন এবং লোকসভার ১৩০ জন সাংসদ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে নোটিস পেশ করেছিলেন। এই ধরনের নোটিশ পেশ করার জন্য লোকসভায় ১০০ এবং রাজ্যসভায় পঞ্চাশ সংসদের স্বাক্ষর থাকা জরুরি নোটিসে।
দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে (Gyanesh Kumar) সরানোর দাবিতে নতুন করে উদ্যোগ নিল বিরোধীদল গুলি। শুক্রবার ৭৩জন বিরোধী সাংসদ রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে ইমপিচ বা অভিশংসন করতে চেয়ে ফের নোটিস জমা জমা করেছেন।
এর আগে রাজ্যসভার ৬৩ জন এবং লোকসভার ১৩০ জন সাংসদ জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে নোটিস পেশ করেছিলেন। এই ধরনের নোটিশ পেশ করার জন্য লোকসভায় ১০০ এবং রাজ্যসভায় পঞ্চাশ সংসদের স্বাক্ষর থাকা জরুরি নোটিসে।
১২ মার্চ জমা করা সেই নোটিস গত ৬ এপ্রিল খারিজ করে দেন যথাক্রমে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা এবং রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণণ। বিরোধী দলগুলি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে কমিশনকে বিজেপির স্বার্থে ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিল। তাদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার নিরপেক্ষ নন। বিরোধী দলগুলি বিশেষভাবে ভোটার তালিকার বিশেষ সংশোধনীর পদ্ধতি নিয়ে অভিযোগ তোলেন।
শুক্রবার রাজ্যসভায় নতুন করে যে নোটিস জমা পড়েছে, তাতে গত ১৮ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জাতির উদ্দেশে ভাষণের বিষয়টি রয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালীন জাতীয় সম্প্রচার মাধ্যম আকাশবাণী ও দূরদর্শন এবং সংসদ টিভিকে নিজের এবং দলের স্বার্থে ব্যবহার করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী সেদিন ১৮ মিনিটের ভাষণে সংসদে ডিলিমিটেশন বিল আটকে যাওয়া এবং সেই সূত্রে মহিলা সংরক্ষণ কার্যকর করা নিয়ে অনিশ্চিত পরিস্থিতির দায় চাপান বিরোধীদের উপর। অভিযোগ করেন বিরোধীরা বাধা দেওয়াতেই বিল দুটি পাশ করানো যায়নি। তিনি বিরোধীদের ওই অবস্থানকে ভ্রুণ হত্যা বলে উল্লেখ করেননি।
অন্যদিকে, বিরোধীদলগুলির বক্তব্য, পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন চলাকালে প্রধানমন্ত্রীকে সরকারি প্রচার মাধ্যম ব্যবহারের সুযোগ করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। এই ব্যাপারে ৭০০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি মুখ্য নির্বাচনারকে চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের আর্জি জানালেও তিনি কোন পদক্ষেপ করেননি। বিরোধীরা এই ঘটনাকেও কমিশনের পক্ষপাতিত্ব বলে উল্লেখ করেছে রাজ্যসভায় পেশ করার নতুন নোটিসে।
Partha Goswami
24/04/2026







